জন্ডিস আসলে কোনও রোগ নয়, বরং বেগতিক শরীরের উপসর্গ মাত্র।
ত্বক হলদেটে হয়ে যায়, চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যায়।
শরীরে বিলিরুবিনের উৎপাদন বেড়ে যায়।
একবার জন্ডিসের প্রভাব শরীরে পরা মানে তার যকৃৎ আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া।
জন্ডিসের উপসর্গ হল পেটে ব্যাথা, সারাক্ষণ গা বমি বমি ভাব, খিদে কম পাওয়া, বমি, ওজন কমে যাওয়া প্রভৃতি।
টাইফয়েড, ডেঙ্গু হলেও জন্ডিস হতে পারে।
জন্ডিস কিন্তু শুধু ওষুধে সারানো সম্ভব নয়।
জন্ডিসের রোগীদের খাওয়াদাওয়ার দিকে অনেক নজর দিতে হয়।
তেল ও মশলাদার খাওয়া একেবারে মানা।
যে খাবার সহজে হজম হয় এমন ধরণের খাবার খাওয়া উচিত।
★ওষুধের পাশাপাশি এই ৮টি খাবার জন্ডিস নিরাময়ের ক্ষেত্রে অত্যন্ত উপযোগী
★টমেটো:-
টমেটোয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে, এবং এটি ভিটামিন সি-এ পরিপূর্ণ।
টমেটো জুস যদি অল্প নুন দিয়ে খালি পেটে ১০-১২ দিন খাওয়া যায় তাহলে ভাল ফল পাওয়া যায়।
★আমলকি :-
আমলকিতেও ভিটামিন সি প্রচুর পরিমাণে আছে, জন্ডিস নিরাময়ে অত্যন্ত উপযোগী এটি।
এই আমলকি যকৃতের কোষকে পুনরুজ্জীবন দেয়।
★আখের রস
জন্ডিসের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষেত্রে আখের রস আপনার অন্যতম অস্ত্র হতে পারে।
দৈনন্দিন নিয়ম করে এক গ্লাস আখের রস খেতে পারলে যকৃতের কার্যক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব।
★ লেবুর রস:-
লেবুতেও ভিটামিন সি পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে।
লেবু পিত্তনালী পরিষ্কার করে।
খালি পেটে পাতি লেবুর রস খান তাহলে দ্রুত ঠিক হয়ে উঠতে পারবেন।
★ গাজর :-
গাজরে প্রচুর পরিমাণে বেটা-ক্যারোটিন আছে।
আর এতে কোলেস্টরলের পরিমাণ কম। এছাড়াও ভিটামিন এ এবং সি প্রচুর পরিমাণে থাকে।
গাজর যকৃতের অবাধ কাজে সাহায্য করে।
★ বাটারমিল্ক :-
বাটারমিল্কে প্রচুর পরিমাণে আয়রন ও ক্যালসিয়াম রয়েছে।
যেহেতু বাটারমিল্ক ফ্যাটফ্রি হয়, তাই সহজ পাচ্যও বটে।
রোজ বাটার মিল্ক খেতে পারলে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন আপনি।
★ বেদানা :-
বেদানায় প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে।
এমনকী সোডিয়ামও রয়েছে যা জন্ডিস নিরাময়ে সাহায্য করে।
★আমন্ড :-
প্রত্যেকদিন যদি ২-৪টি করে ভেজানো আমন্ড খাওয়া যায় তাহলে যকৃতের স্বাভাবিক কাজ অক্ষুণ্ণ রাখা সহজ হয়। আমন্ড শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ বের করে এবং শরীরের শক্তি সঞ্চয়ে সাহায্য করে
যে কোন চিকিৎসায় বিলম্বিত না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
ভালো থাকুন
No comments:
Post a Comment