Thursday, 9 June 2016

রোজায় ডায়াবেটিস রোগী

রোজায় ডায়াবেটিস রোগী

(১) সেহেরির খাবার শেষ সময়ের অল্প কিছুক্ষণ আগে খাবেন।

(২) ভাজা-পোড়া খাবার যেমন- পেঁয়াজু, বেগুনী, পুরি, পরোটা, কাবাব অল্প পরিমাণে খেতে পারেন।

(৩) ডায়াবেটিক রোগীদের পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি ও পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে যেন পানিশূন্যতায় না ভোগেন। একটা খেজুর খেতে পারেন। খাদ্য তালিকায় ফলমূল, শাকসবজি, ডাল ও টক দই রাখতে পারেন। ডাবের পানি পান করতে পারেন। অন্য কোনো পানীয় বেছে নিলে তবে চিনিমুক্ত পানি বাছাই করুন। যদি মিষ্টি পানীয় পান করতে চান, তবে সুইটনার যেমন- ক্যানডেরাল বা সুইটেক্স ব্যবহার করতে পারেন।

(৪) ইফতারের সময় বেশি পরিমাণে মিষ্টি ও চর্বি জাতীয় খাবার গ্রহণ করবেন না।

(৫) খাদ্যের ক্যালরি বুঝে পরিমাণ ও ধরন ঠিক করতে হবে। সঠিক সময়ে সঠিক পরিমাণ খাওয়া প্রয়োজন।

(৬) রমজানের আগে যে পরিমাণ ক্যালরিযুক্ত খাবার খেতেন রমজানে ক্যালরির পরিমাণ ঠিক রেখে খাওয়ার সময় ও ধরন বদলাতে হবে। প্রয়োজন হলে পুষ্টি বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যোগাযোগ করে খাবার তালিকা ঠিক করুন। লক্ষ্য রাখতে হবে ওষুধের সঙ্গে খাবারের যেন সামঞ্জস্য থাকে। ইফতারের সময় অতিভোজন ও শেষ রাতে অল্প আহার পরিহার করুন।

৪র্থ রমজানের দোয়া


র্থ রমজানের দোয়া

اليوم الرّابع : اَللّـهُمَّ قَوِّني فيهِ عَلى اِقامَةِ اَمْرِكَ، وَاَذِقْني فيهِ حَلاوَةَ ذِكْرِكَ، وَاَوْزِعْني فيهِ لاَِداءِ شُكْرِكَ بِكَرَمِكَ، وَاحْفَظْني فيهِ بِحِفْظِكَ وَسَتْرِكَ، يا اَبْصَرَ النّاظِرينَ .

হে আল্লাহ !
এ দিনে আমাকে তোমার নির্দেশ পালনের শক্তি দাও।
তোমার জিকিরের মাধুর্য আমাকে আস্বাদন করাও।
তোমার অপার করুণার মাধ্যমে আমাকে তোমার কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের জন্য প্রস্তুত কর ।
হে দৃষ্টিমানদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ দৃষ্টিমান।
আমাকে এ দিনে তোমারই আশ্রয় ও হেফাজতে রক্ষা কর।

৩য় রমজানের দোয়া

৩য় রমজানের দোয়া

اليوم الثّالث : اَللّـهُمَّ ارْزُقْني فيهِ الذِّهْنَ وَالتَّنْبيهَ، وَباعِدْني فيهِ مِنَ السَّفاهَةِ وَالَّتمْويهِ، وَاجْعَلْ لى نَصيباً مِنْ كُلِّ خَيْر تُنْزِلُ فيهِ، بِجُودِكَ يا اَجْوَدَ الاَْجْوَدينَ .

হে আল্লাহ ! আজকের দিনে আমাকে সচেতনতা ও বিচক্ষণতা দান কর। আমাকে দূরে রাখ অজ্ঞতা , নির্বুদ্ধিতা ও ভ্রান্ত কাজ-কর্ম থেকে। এ দিনে যত ধরণের কল্যাণ দান করবে তার প্রত্যেকটি থেকে তোমার দয়ার উসিলায় আমাকে উপকৃত কর। হে দানশীলদের মধ্যে সর্বোত্তম দানশীল।

ইফতার

“হে আল্লাহ! তোমার জন্য রোযা রেখেছি, আর তোমারই রিযিক দ্বারা ইফতার করছি।”

           [সুনান আবু দাউদ :২৩৫৮]

ইফতার এর ফযিলত


নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ইফতার করতেন তখন বলতেন :

ذَهَبَ الظَّمَأُ وَابْتَلَّتِ الْعُرُوقُ وَثَبَتَ الأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ

“পিপাসা নিবারিত হল,
শিরা উপশিরা সিক্ত হল এবং আল্লাহর ইচ্ছায় পুরস্কারও নির্ধারিত হল।”

[সুনান আবূ-দাউদ: ২৩৫৯, সহীহ]

খোশ হে মাহে রমাদান

ইফতার করা

ইফতার এর সময় হওয়ার সাথে সাথে
ইফতার করা বিরাট ফজিলাতপূর্ণ আমল।
কোন বিলম্ব না করা ।
কেননা

হাদীসে এসেছে,

« إِذَا كَانَ أَحَدُكُمْ صَائِمًا فَلْيُفْطِرْ عَلَى التَّمْرِ فَإِنْ لَمْ يَجِدِ التَّمْرَ فَعَلَى الْمَاءِ فَإِنَّ الْمَاءَ طَهُورٌ

‘‘যে ব্যক্তি সিয়াম পালন করবে, সে যেন খেজুর দিয়ে ইফতার করে, খেজুর না পেলে পানি দিয়ে ইফতার করবে। কেননা পানি হলো অধিক পবিত্র ’’

   [সুনান আবু দাউদ : ২৩৫৭, সহীহ]

রমজান মাসে বেশী বেশী দো‘আ ও কান্নাকাটি করা।


রমজান মাসে বেশী বেশী দো‘আ ও কান্নাকাটি করা।

দো‘আ একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদাত।
এজন্য এ মাসে বেশি বেশি দো‘আ করা ও আল্লাহর নিকট বেশি বেশি কান্নাকাটি করা।

হাদীসে এসেছে,

«إِنَّ للهِ تَعَالَى عِنْدَ كُلِّ فِطْرٍ عُتَقَاءُ مِنَ النَّارِ، وَذَلِكَ كُلّ لَيْلَةٍ»

‘‘ইফতারের মূহূর্তে আল্লাহ রাববুল আলামীন বহু লোককে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিয়ে থাকেন। মুক্তির এ প্রক্রিয়াটি রমাদানের প্রতি রাতেই চলতে থাকে’’

[আল জামিউস সাগীর : ৩৯৩৩]

খোশ হে মাহে রমজান


«إِنَّ للهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى عُتَقَاء فِيْ كُلِّ يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ وَإِنَّهُ لِكُلِّ مُسْلِمٍ فِيْ كُلِّ يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ دَعْوَة مُسْتَجَابَة»

‘‘রমযানের প্রতি দিবসে ও রাতে আল্লাহ তা‘আলা অনেককে মুক্ত করে দেন।
প্রতি রাতে ও দিবসে প্রতি মুসলিমের দো‘আ কবূল করা হয়’’

[সহীহ আত-তারগীব ওয়াত তারহীব : ১০০২]