সারভিক্যাল ক্যান্সার
মহিলাদের ক্যান্সারে মৃত্যুর মধ্যে সারভিক্যাল ক্যান্সারে মৃত্যুর সংখ্যা বেশী,
এই সংখ্যা স্তন ক্যান্সারের চেয়েও বেশি।
সারভিক্যাল ক্যান্সার সারভিক্সে হয়।
এটি জরায়ুর মুখে থাকে।
বাইরের বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে জরায়ুকে রক্ষা করে সারভিক্স।
★এটা কি বংশগত রোগ?
এই ক্যান্সারটি বংশগত নয়।
সারভিক্সে হিউম্যান পাপিলোমা ভাইরাসের (HPV) সংক্রমণে এই ক্যান্সার হয়।
ভাইরাসটি খুবই পরিচিত।
যৌনসংসর্গের সময় এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটে।
বর্তমানে টিকাকরণের মাধ্যমে এই ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব।
★এটা কাদের হয়?
সাধারণ ভাবে কমবয়সি মেয়েদেরই এই ভাইরাস সংক্রমণের সম্ভাবনা প্রবল। তবে বেশি বয়সেও এই ভাইরাসের সংক্রমণ হতে পারে। তাই অল্প বয়েসেই মেয়েদের এই ভাইরাসের প্রতিষেধক দেওয়া আবশ্যক।
★বুঝবো কিভাবে?
একেবারে শেষ ধাপে সারভিক্যাল ক্যান্সারের লক্ষণগুলি প্রকাশ পায়।
প্যাপ স্মিয়ার নামে একটি পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিক অবস্থায় একে ধরা যায়। তবে এই পরীক্ষাটি শুধুমাত্র HPV নির্ণয় করতে পারে,
সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে না।
★চিকিৎসা ও টিকা।
টিকা:-
👉রোগ সংক্রমণের আগেই একে প্রতিরোধ করতে পারে টিকাকরণ।
👉সারভিক্যাল ক্যান্সারের টিকা ভাইরাসের বিরুদ্ধে দেহে অ্যান্টিবডি তৈরি করে।
এই অ্যান্টিবডি সংক্রমণ রুখে দেয়।
শরীর সারভিক্যাল ক্যাসারের ভাইরাস প্রবেশ করলে এই অ্যান্টিবডি তার সঙ্গে যুদ্ধ করে এবং ক্যান্সার রুখে দেয়।
কিশোরীদের বয়েসের একেবারে গোড়ার দিকেই এই প্রতিষেধক নেওয়া উচিত।
তবে মহিলারাও সারভিক্যাল ক্যান্সার রুখতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে
এই প্রতিষেধক নিতে পারেন।
চিকিৎসাঃ-
ছ’মাসের ভিতর টিকার তিনটি ডোজ দিতে হয়।
এই প্রতিষেধকটি নিরাপদ এবং পরীক্ষিত।
অন্যান্য প্রতিষেধকের মতো এর ক্ষেত্রেও হালকা জ্বর এবং টিকার নেওয়ার জায়গাটি ফুলে উঠতে পারে।
No comments:
Post a Comment